porno

şanlıurfa otogar araç kiralama

bakırköy escort

প্রদোষ ‘মিত্র’ নয়, ফেলুদা-র পদবি ‘দত্ত’ ভেবেছিলেন সত্যজিৎ! - Prohor

প্রদোষ ‘মিত্র’ নয়, ফেলুদা-র পদবি ‘দত্ত’ ভেবেছিলেন সত্যজিৎ!

মানিকলমকারি – ৩

আগের পর্বে

মানুষের সঙ্গে পশুপাখিদের মধ্যে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। কেউ প্রাণীদের ভালবাসেন, কেউ বাসেন না। অনেকে আবার হত্যাও করেন। কেরালার হাতি হোক বা ছত্তিশগড়, অসমের চিতা। মানুষের নির্মম হত্যালীলা থেকে বাঁচেনি কেউ-ই। সত্যজিতের গল্পে মানুষের সঙ্গে প্রাণীদের সম্পর্ক ফিরে ফিরে এসেছে। মিঃ শাসমল, সদানন্দ থেকে শুরু করে বনবিহারী বাবু কিংবা অসমঞ্জবাবুর গল্পেও সেই সম্পর্কের রূপই বিভিন্নভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন সত্যজিৎ।

আচ্ছা, ফেলুদার একটা জীবনী লিখলে কেমন হয়? এই মানিকলমকারি কলমে সে কাজটা করতেই হবে ধীরে সুস্থে। কিন্তু মজা হল, তার সন্ধানে নেমে, ফেলুদার নানা আনাচ-কানাচ খুঁজে বের করতে গিয়ে চোখে পড়ল একটা অদ্ভুত তথ্য। 

রায়সাহেব কি মিত্তির পদবিধারী তাঁর তৈরি এই অমর চরিত্রটির পদবি কি মিত্তিরের আগে দত্ত ভেবেছিলেন? ফেলুদার বাবার নাম জয়কৃষ্ণ মিত্রই তো জানা ছিল। সোনার কেল্লা ছবিতে যাঁর সম্পর্কে বলতে গিয়ে তোপসের বাবা বলেছিলেন, "শেয়ালের গর্তে হাত ঢুকিয়ে শেয়ালের বাচ্চা বের করে আনতে মেজদা, তখন ওর বয়স দশ। তাঁর ছেলে ফেলু।" কার আর মনে নেই সেই অসাধারণ সংলাপ। বাঙালিমাত্রেরই প্রায় মুখস্থ তা। 'বাদশাহি আংটি' আর 'রয়েল বেঙ্গল রহস্য' উপন্যাসেও তো ফেলুদার বাবার কথা এসেছিল। আর সেখান থেকেই তো জানা গিয়েছিল, ফেলুদারা ঘটি নয়, বাঙাল। তাদের আদিবাড়ি ছিল ঢাকার বিক্রমপুর পরগণার সোনাদিঘি গ্রামে। ফেলুদার বাবারা চার ভাই, ফেলুদার বাবা মেজো আর তোপসের বাবা সবচেয়ে ছোটো। বড়ো ভাই ছিলেন ময়মনসিংহের এক জমিদারি এস্টেটের ম্যানেজার, তিনি আবার ছিলেন রীতিমতো ভালো শিকারি। মজার চরিত্রের মানুষ ফেলুদার বাবা, তোপসের এই মেজোজ্যাঠা। তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে অঙ্ক আর সংস্কৃতের মাস্টারমশাই ছিলেন। তবে তোপসের ভাষাতে "মাস্টার হলে কী হবে, মুগুর ভাঁজা শরীর ছিল তাঁর। ফুটবল ক্রিকেট সাঁতার কুস্তি সব ব্যাপারেই দুর্দান্ত ছিলেন। উনি যে এত অল্প বয়সে মারা যাবেন সেটা কেউ ভাবতেই পারেনি। আর অসুখটাও নাকি আজকের দিনে কিছুই না।" ফেলুদার বাবা যখন মারা যান, তখন ফেলুর বয়স নয়, মা মারা যান তার আগেই। সেই থেকেই, মানে সেই ন বছর বয়স থেকেই ফেলু তার এই ছোটকাকার কাছে মানুষ। ফেলুদার বাবার নাম যে জয়কৃষ্ণ মিত্তির, সেটা জানা গেছিল, ফেলুদার প্রথম গল্প 'ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি'-তেই। ১৯৬৫ সালে লেখা সেই গল্পের মক্কেল রাজেন মজুমদারের কাছে নিজের পরিচয় দিতে গিয়েই ফেলুদা বলেছিল, "চিনতে পারছেন? আমি জয়কৃষ্ণ মিত্তিরের ছেলে ফেলু।" সেই ১৯৬৫ সালে ফেলুদার বয়স, তোপসের কথামতো, সাতাশ। আর তখন তোপসের বয়স সাড়ে তেরো। তার মানে, ফেলুদার জন্মসাল মোটামুটি ভাবা যায়, ১৯৩৮! অর্থাৎ ফেলুদার এখন বয়স হওয়ার কথা বিরাশি! আর তোপসের জন্ম ১৯৫২-র হিসেবে তার বয়স এখন হবে ছেষট্টি। সে যাই হোক, ফেলুদার গল্পের পাঠকের কাছে লেখক সত্যজিৎ তাঁর চরিত্রের বয়স পঁয়তিরিশে থামিয়ে দিয়েছিলেন আগেই। তাই, এসব অঙ্কের বয়স-গণনা আপাতত থামিয়ে রাখাই ভালো। এখন প্রশ্ন হল, তাহলে ফেলুদার পদবি যে দত্ত বলছি, সেটা এলো কোত্থেকে?

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ক্লিক করুন

Latest News See More