Cannes-এর দরজা ঠেলে: ছবিতে-গল্পে ‘অদেখা’ চলচ্চিত্র উৎসব

/১১

বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো চলচ্চিত্র উৎসব কান। অথচ, আমাদের দেখা-জানার গণ্ডি মূলত সীমাবদ্ধ থাকে রেড কার্পেট ঘিরেই। কিন্তু তা-ছাড়াও, আরও অজস্র আকর্ষণীয় অংশ রয়েছে এ-উৎসবের, যা আমজনতার চোখের আড়ালেই থেকে যায় প্রতিবছর। আসুন, ছবিতে ও গল্পে পরিচয় সেরে নিই সেইসব অদেখা ও অজানা অংশের সঙ্গে।

/১১

চলচ্চিত্র সংস্কৃতির মক্কায় বছরের পর বছর ধরে আসা তারকাদের হাতের ছাপের নমুনা। এসব দিয়েই সাজানো হয়েছে মূল ‘প্যালে দু ফেস্টিভাল’-এর বাগান, পার্ক ও চলার পথ। বিভিন্ন নামের মাঝে চোখে পড়ে শ্যারন স্টোন, ভেনেসা রেডগ্রেভ, স্পাইক লি, উপি গোল্ডবার্গের নাম।

/১১

এই পথ কলাকুশলী তারকাদের প্রধান লুমিয়ের হলে প্রবেশের জন্য সংরক্ষিত। অন্যান্য মানুষের এ-পথে প্রবেশ নিষেধ। এক প্রেক্ষাগৃহ থেকে অন্য প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার সময় এক ফরাসিনি ভলেন্টিয়ারের আনুকূল্যে এ-পথে প্রবেশের ছাড়পত্র পেয়ে যাই। প্রেস কার্ড থাকার ফলেই এই অনুমতি।

/১১

সাংবাদিকদের জন্য সংরক্ষিত কর্মব্যস্ত কাফে। পৃথিবীর বিভিন্ন খবরের কাগজ ও টিভি চ্যানেলে যে ছবি বা ভিডিও দেখতে পাই আমরা, তা এই ঘরেই তৈরি হয়।

/১১

Marché du Film (চলচ্চিত্র বাজার) কান চলচ্চিত্র উৎসবের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উৎসবের এই ব্যবসায়িক ক্ষেত্রটি পৃথিবীর বৃহত্তম চলচ্চিত্র বাজারের একটি। ১৯৫৯ সালে শুরু হওয়া এই বাজার পৃথিবীর তাবড় প্রযোজক, পরিচালক, ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির মিলনক্ষেত্র। বলা যেতে পারে, ভবিষ্যতের জনপ্রিয় হতে-চলা বহু ছবির ব্যবসায়িক পরিকাঠামো এখানেই তৈরি হয়।

/১১

মূল ‘প্যালে দু ফেস্টিভাল’-এর পিছনে, ‘মার্শে দু ফিল্ম’-এর ফটক পেরিয়ে। সমুদ্রসৈকতের তীরবর্তী জায়গার নাম ‘Boulevard de la Croisette’। সেখানেই তৈরি হয়েছে রিভিয়েরা ভিলেজ। এই ভিলেজ সিনেমা-বাজারেরই এক অংশ, তাতে নানান দেশের প্যাভিলিয়ন ও লাখো মানুষের ভিড়। হাঁটতে হাঁটতে প্যাভিলিয়নগুলোর তাঁবুর উপর নির্দিষ্ট দেশের পতাকা চোখে পড়ে। এই লাইনের শেষেই ভারতের প্যাভিলিয়ন।

/১১

ভারতীয় প্যাভিলিয়ন। ভারত থেকে তেমন কোনো ছবি না-এলেও, আমোদ-আহ্লাদ-উচ্ছ্বাসের অভাব বোধ করেন না দেশ থেকে আগত উদ্যোক্তারা।

/১১

রাতের জন্য তৈরি হচ্ছে ‘সিনেমা দে লা প্লাগে’। এখানেই রাত্রিব্যাপী চলে কানের একমাত্র সর্বজনীন চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। জায়গাটা সমুদ্রসৈকতে হলেও মূল প্যালেস অঞ্চল, রিভিয়েরা ভিলেজ ছাড়িয়ে অনেকটা দূরে। লোহার কাঠামোয় টাঙানো হয় বিরাট স্ক্রিন। তারই সামনের মাঠে সিনেমা, খানা-পিনা, প্রেম, বন্ধুর সান্নিধ্যে রাত্রিযাপন করে মানুষ।

/১১

যে-কোনো ছবির প্রথম স্ক্রিনিং-এ, উৎসবের নিয়ম অনুযায়ী পরিচালক, কলাকুশলী সহ ছবিটির সম্পূর্ণ দল সেই প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত থাকেন। ছবি শুরুর আগে নিজেদের কথাটুকু বলা ছাড়াও, দর্শকাসনে বসা সাংবাদিক, সমালোচক, বা নিখাদ সিনেমাপ্রেমীরা তাঁদের ভালোবাসা-শ্রদ্ধা উজাড় করে দেন। এই ছবিটি ‘সালে দেবুসি’ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্ল্যান-৭৫’ স্ক্রিনিং-এর ঠিক আগের মুহূর্ত। বাঁদিক থেকে দু-নম্বরে দাঁড়িয়ে ছবির পরিচালক হায়াকাওয়া চি।

১০/১১

বিশ্বখ্যাত ‘গ্র্যাহন্ড থিয়েটার লুমিয়ের’-এর অন্দরমহল। ছবি শুরুর ঠিক আগের মুহূর্ত।

১১/১১

যে-পথে হাঁটার স্বপ্ন দেখেন প্রায় সমস্ত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অভিনেতারা। কান চলচ্চিত্র উৎসবের সেই ‘রেড কার্পেট’!

Powered by Froala Editor

Latest News See More